মুক্তির আশে

চিন্ময় মহান্তী



চলো যাই, রূপকথার ওই মাদুরে ভেসে
সোনার কাঠি রুপোর কাঠির দেশে,
চলো যাই, পক্ষীরাজ ঘোড়ায় চড়ে
নিঝুম দেশের ওই পাষাণপুরে।
মাকড়সার জালে বেঁধে নেবো ছোট্টো কুঁড়ে
গাছের বাকল পরবো ওগো শান্ত লয়ে,
টিয়ার ঠোঁটে সূঁচ বানাবো, সুতো শ্যামা লতে ।
লোভ রিপু ভয় পাবেগো মোদের ব্যবহারে
মোহকে মোরা চাপা দেবো পাষাণের ওই স্তুপে ।
বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি লব,বেবাক দেশের বুকে
ষড় রিপুর আলিঙ্গন সেথা শীতল ভীষণ আগে।
ইন্দ্রজিৎ নামকুড়বো দুই মুঠি ভরে
মুক্তি লব এই ভুবনের আমার আমিত্ব হতে ।
চলো যাই, রূপকথার ওই কল্প সরোবরে
নাইবো সেথায় যৌবন নয় নির্মল মন যেচে,
দেহের এই মলিনতা ধুবোগো ওরেই জলে।
মাটির গান শুনবো সেথায় বোবা পাষাণ মুখে
এই ভুবনের রোষারোষি থাকনা অনেক দূরে,
মুক্তি তুমি এসো হে সেথা সাহসি দাম্ভিক পদে।

অলংকরণ : প্রমিত নন্দী

পাঠকেরা যা পড়ছেন